শহিদুল ইসলাম সাগর সাভার: সারা দেশে ক্ষমতাসীন আওযামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীর কর্মকান্ডে দলটি যখন বিব্রত ঠিক তখনই রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী আশুলিয়ার ইয়ারপুরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন ইমেজ নিয়ে দলের সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে জনসাধারনের মনে ঠায় করে নিয়েছেন সিরাজুল ইসলাম শিকদার@ সিরাজ শিকদার। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে
আওয়ামীলীগের যোগদানের পর থেকেই আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়নের এক সময়ের যুবলীগ ও পরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে সর্বস্তরের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন সিরাজ শিকদার। এস্থানীয়ভাবে তিনি দলের নতোকর্মীদের নিয়ে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড দূর্নীতিমুক্ত রাখতে নিজ উদ্যোগেই এলাকাবাসীকে নিয়ে সংস্কার করতে থাকেন বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট। মাদক নির্মূলেও তরুনদের সঙ্গে নিয়ে পাড়া-মহল্লায় উঠতি বয়সের যুবকদের মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেন।
তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত জামায়াত-বিএনপি’র সরকারের বিভিন্ন গনবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতাদের সাথে একসাথে কাজ করেছেন। আওয়ামীলীগের প্রতিনিটি কর্মসূচীতেই রাজপথসহ বিচরণ করেছেন ইউনিয়নের সর্বত্র। এমনকি তৎকালীন জামায়াতা-বিএনপি সরকারের স্থানীয় এমপি লোষানলে পড়ে শিকার হয়েছেন বিভিন্ন মামলার। বারবার মামলা-হামলার শিকার এই নেতা বলেন, আমি জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই জাতীয় পার্টির কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে।
আওয়ামীলীগে যোগদানের পর ১৯৯৮ সালে সাভার উপজেলা যুবলীগের আহব্বায়ক কমিটির কার্যকরী সদস্য, ২০০২ সালে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য ও ২০১৪ সালে ইয়ারপুর ইউনিয়ন কমিটির সদস্য নির্বাচিত করেন নেতাকর্মীগন। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা লীগের সাভার উপজেলার কমিটির সভাপতি ও ঢাকা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি। আগামী দিনে আমাকে সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার পদান করলে, আমি সততার সাথে পালন করার চেষ্টা করবো।
যেখানেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বাধা হয়ে দাড়াবে, সেখান থেকেই প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ শুরু করবো।
১/১১ এর পর ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে অত্র ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিজ্ঞ নেতাকর্মীদের একত্রে নিয়ে আসার জন্য আমি কাজ করেছি। আওয়ামীলীগের তৎকালীন নেতাদের ডাকে রাজপথে যেমন ছিলাম এখনো তেমনই আছি। ২০১৩ সালের শেষ দিকে বিএনপি-জামায়াতের লাগাতার ইস্যুবিহীন, জনগনের সর্মথনহীন আন্দোলনের প্রতিবাদে দিনের পর দিন কর্মীদের নিয়ে আশুলিয়ার রাজপথ দখলে রেখেছি।
বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিরোধী আন্দোলন একথা ইয়ারপুরের শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারন মানুষকে বুঝিয়েছি। ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতির ছোট ভাই দেওয়ান মইন উদ্দিন বিপ্লব অত্র এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরও বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনে ইয়ারপুরের জনগন সাড়া দেয়নি।